আক্ষরিক অনুবাদ ও ভাবানুবাদ: পার্থক্য

আক্ষরিক অনুবাদ ও ভাবানুবাদের পার্থক্য

 ১: আক্ষরিক অনুবাদে প্রতিটি শব্দের, প্রতিটি বাক্যের হুবহু অনুবাদ করা হয়। ভাবানুবাদে মূল ভাবটি বজায় রেখে নতুন ভাবে বাক্য গঠন করা হয়।

২: আক্ষরিক অনুবাদ নিকৃষ্ট বলে গণ্য হয়। ভাবানুবাদ উৎকৃষ্ট অনুবাদ বলে গণ্য হয়।

৩: দাপ্তরিক ও আইনি কাজকর্মে আক্ষরিক অনুবাদের কিছু উপযোগিতা আছে। ভাবানুবাদের উপযোগিতা শিক্ষা ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে।

৪: আক্ষরিক অনুবাদে ভাষা সাবলীল হয় না। ভাবানুবাদে ভাষা সাবলীল হয়।

৫: আক্ষরিক অনুবাদে বাক্যের সরলার্থ ছাড়া গূঢ় প্রকাশিত হয় না। ভাবানুবাদে বাক্যের গূঢ় ভাবার্থ প্রকাশ করা যায়।

৬: প্রবাদ, প্রবচন ও বিশিষ্ট বাক্যের আক্ষরিক অনুবাদ সম্ভব হয় না। ভাবানুবাদ যে কোনো বাক্যের‌ই করা যায়।



মন্তব্যসমূহ

আর‌ও পড়ে দেখুন

পদ পরিবর্তন | ২৫০+ নির্ভুল পদান্তর

সন্ধি ও সমাসের সাদৃশ্য | সন্ধি ও সমাসের পার্থক্য

মিল যুক্ত শব্দ | মিল করে শব্দ লেখ

স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান

জোড়া শব্দ বা শব্দজোড়

নির্দেশক কাকে বলে

শ ষ স হ কে উষ্ম ধ্বনি বলে কেন?

সাধু ও চলিত ভাষার ৭টি বৈশিষ্ট্য ও রূপান্তর | Sadhu o cholit bhasha