পোস্টগুলি

মে, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কোন কারকে অনুসর্গ ব্যবহৃত হয় না

 কোন কারকে অনুসর্গের ব্যবহার নেই? আমরা জানি, বিভক্তি ও অনুসর্গের প্রয়োগ অনুসারে কারক দুই প্রকার: বিভক্তি-প্রধান ও অনুসর্গ-প্রধান। তবে বিভক্তি-প্রধান কারকেও অনুসর্গের ব্যবহার মাঝে মাঝে হয়, আবার অনুসর্গ-প্রধান কারকেও বিভক্তির ব্যবহার বিরল নয়। যেমন: অধিকরণ কারক বিভক্তি-প্রধান হলেও এতে 'মধ্যে' , 'ভিতরে' প্রভৃতি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বাংলায় একটি বিভক্তি-প্রধান কারক এমন আছে, যাতে অনুসর্গের ব্যবহার কখনোই দেখা যায় না। সেই কারকটি হল কর্ম কারক। বাংলা কর্ম কারকে 'কে' , 'রে' প্রভৃতি বিভক্তির ব্যবহার হয়, অথবা শূন্য বিভক্তির ব্যবহার হয়। এই কারকে অনুসর্গের ব্যবহার দেখা যায় না বললেই চলে।

বর্গান্তর কাকে বলে

 বর্গান্তর কী ভাষায় ব্যবহৃত দুটি প্রধান পদ হল বিশেষ্য ও বিশেষণ। আমরা পদ পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশেষ্য থেকে বিশেষণ এবং বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদ গঠন করি। যেমন 'মাঠ' থেকে 'মেঠো', 'জল' থেকে 'জলীয়'। এখানে পদটির রূপ বদলে যাচ্ছে। কিন্তু বর্গান্তর সম্পূর্ণ অন্য জিনিস।  বর্গান্তরে পদের চেহারার কোনো পরিবর্তন হয় না, অথচ পদটি এক পদ থেকে অন্য পদে পরিণত হয়। সহজ ভাষায় বলা যায়: একটি বিশেষ্য পদ বিশেষণ রূপে ও বিশেষণ পদ বিশেষ্য রূপে ব্যবহৃত হলে তাকে বলা হয় বর্গান্তর। বোঝার জন্য নিচের দুটি উদাহরণ মন দিয়ে পড়ে ব্যাখ্যাটি পড়ুন। যেমন: ১: সে খুব ভালো ছেলে। -- ভালো পদটি সাধারণ ভাবে বিশেষণ পদ এবং এখানে বিশেষণ পদ রূপেই ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু ২: আমি তোমার ভালো চাই। -- 'ভালো' এখানে বিশেষ্য পদ। অর্থাৎ 'ভালো' পদটি এখানে বিশেষ্য রূপে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা বলতে পারি দ্বিতীয় উদাহরণে 'ভালো' পদটির বর্গান্তর ঘটেছে। মনে রাখতে হবে: প্রথম উদাহরণে বর্

ন্যূনতম শব্দজোড় কাকে বলে

 ন্যূনতম শব্দজোড়  'ন্যূনতম' কথার অর্থ হল সবচেয়ে কম (Minimum)। ধ্বনিতত্ত্ব আলোচনার সময় কোনো ভাষার একটি ধ্বনিকে মূল ধ্বনি (বা ধ্বনিমূল) হিসেবে স্বীকার করা হবে কিনা, তা যাচাই করার একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে। এই প্রসঙ্গেই 'ন্যূনতম শব্দজোড়'-এর ধারণাটি কাজে লাগে। আসুন জেনে নেই ন্যূনতম শব্দজোড় কাকে বলে। দুটি শব্দের মধ্যে একটিমাত্র ধ্বনি বাদ দিয়ে বাকি সবকটি ধ্বনি এক এবং এক‌ই ক্রমে সজ্জিত হলে, ওই শব্দজোড়াকে বলে ন্যূনতম শব্দজোড়। সহজ ভাষায় বলা যায়: একটিমাত্র ধ্বনির পার্থক্য আছে, এমন একজোড়া শব্দকে বলে ন্যূনতম শব্দজোড়।  এই একটিমাত্র ধ্বনি স্বর‌ও হতে পারে, ব্যঞ্জন‌ও হতে পারে। বিষয়টিকে উদাহরণ দিয়ে বোঝানো যাক। উদাহরণ ১: কাল , খাল । এই দুটি শব্দ একটি ন্যূনতম শব্দজোড়। কারণ এই দুটি শব্দের মধ্যে একটি ছাড়া আর সব ধ্বনিই এক। বর্ণ বিশ্লেষণ করলে পাই --- ক্ + আ + ল্ + (অ) , খ্ + আ + ল্ + (অ) -- দেখা যাচ্ছে শুধু ক্ ও খ্ ধ্বনি দুটি আলাদা, আর সব‌ই এক।  উদাহরণ ২: স