পোস্টগুলি

গুচ্ছ বা জোট: বাক্য গঠনের ব্যাকরণ | বিশেষ্য গুচ্ছ, ক্রিয়া গুচ্ছ ও ক্রিয়া বিশেষণ গুচ্ছ

ছবি
বিশেষ্য গুচ্ছ, ক্রিয়া গুচ্ছ ও ক্রিয়াবিশেষণ গুচ্ছ এই আলোচনায় যা আছে বাক্যের গাঠনিক গুচ্ছ বলতে কী বোঝায় বাক্যের গাঠনিক গুচ্ছ কত প্রকার বিশেষ্য গুচ্ছ ক্রিয়াগুচ্ছ ক্রিয়াবিশেষণ গুচ্ছ বাক্যের গুচ্ছ বলতে কী বোঝায় সঞ্জননী ব্যাকরণে বাক্যের সংগঠন  একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমরা জানি বাক্যের দুটি অংশ, উদ্দেশ্য ও বিধেয়। এ ছাড়া একটি বাক্য গঠিত হয় কয়েকটি পদের সমন্বয়ে। তবে এইটুকু বললেই বাক্যের গঠন-প্রক্রিয়ার চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষ হয় না। আসলে বাক্যের উপাদানগুলি বাক্যের মধ্যে সন্নিবিষ্ট হ‌ওয়ার জন্য নিজেদের মধ্যে জোট গঠন করে। অর্থাৎ কয়েকটি উপাদান মিলিত হয়ে এক একটি গুচ্ছ গঠন করে। তারপর ঐ গুচ্ছগুলি পাশাপাশি সন্নিবেশিত হয়ে পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে। এখানে 'বাক্যের উপাদান' বলতে বোঝানো হয়েছে শব্দ, শব্দবিভক্তি, অনুসর্গ, ধাতু , ধাতুবিভক্তি প্রভৃতি‌। একটি গুচ্ছ বা জোটের মধ্যে এই উপাদানগুলির মধ্যে কোন‌ও একটি বা একাধিক থাকতে পারে।  বাক্যের গুচ্ছ কত প্রকার একটি বাক্যে তিন প্রকার গুচ্ছ বা জোট থাকতে পারে।  বিশেষ্য গুচ্ছ বা বিশেষ্য জোট। ক্রিয়াগুচ্ছ বা ক্রিয়াজোট। ক্রিয়াবিশেষণ গুচ্ছ

নির্ভুল ও কঠিন বিপরীত শব্দ | বিপরীত শব্দের তালিকা | বিপরীতার্থক শব্দ | Biporit shabdo in Bengali

বিপরীত শব্দের সংজ্ঞা ও তালিকা শব্দের অর্থ‌ই শব্দের প্রাণ। তাই শব্দার্থতত্ত্ব ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু শব্দের অর্থ আসলে কী? এর উত্তরে বলি, অর্থের ধারণাটি একটি ব্যাপক ধারণা। অর্থ বলতে কী বোঝায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা পরে কখন‌ও করা যাবে। আপাতত আমরা বলতে পারি, শব্দ গঠিত হয় কয়েকটি ধ্বনি নিয়ে এবং সেই ধ্বনিগুচ্ছ একটি ভাব-সংকেত বহন করে। ভাষায় ব্যবহৃত শব্দ যে ভাব-সংকেত বহন করে, তাকেই শব্দার্থ বলে।   বিপরীত শব্দ কাকে বলে? মানুষের চেতনায় যত ভাব আছে, তার মধ্যে অনেক ভাবে পারস্পরিক তুলনা করা হয়। এই কারণে দেখা যায় কিছু শব্দের অর্থ পরস্পরের কাছাকাছি কোনো ধারণাকে প্রকাশ করে, আবার কিছু শব্দের অর্থ পরস্পরের বিপরীত ধারণাকে প্রকাশ করে। এই রকম দুটি শব্দ যদি পরস্পরের বিপরীত, উল্টো বা বিরোধী ধারণাকে প্রকাশ করে তাহলে ঐ শব্দদুটিকে পরস্পরের বিপরীত শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ বলে।  নিচের তালিকায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দের জোড়া তুলে ধরা হলো। শব্দগুলিকে বর্ণানুক্রমে সাজানো হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় শব্দটি খুঁজে নিতে পাঠকদের সুবিধা হয়। এই তালিকায় আপনার প্রয়োজনীয় শব্

ধাত্ববয়ব প্রত্যয়

ধাত্ববয়ব প্রত্যয়ের ধারণা এই আলোচনায় যা আছে: ধাত্ববয়ব প্রত্যয়ের ধারণা ধাত্ববয়বের নাম ধাত্ববয়ব কেন কৃৎ ও তদ্ধিতের সাথে ধাত্ববয়বের পার্থক্য সংস্কৃত ধাত্ববয়ব প্রত্যয় ও তার ব্যবহার বাংলা ধাত্ববয়ব প্রত্যয় ও তার ব্যবহার প্রত্যয় মূলত তিন প্রকার: কৃৎ প্রত্যয়, তদ্ধিত প্রত্যয় ও ধাত্ববয়ব প্রত্যয়। আমরা জানি: কৃৎ প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে। তদ্ধিত প্রত্যয় শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে।  এ ছাড়া রয়েছে ক্রিয়াপদ গঠনে ব্যবহৃত প্রকারবাচক প্রত্যয় ও অসমাপিকা ক্রিয়া-প্রত্যয়। ইতিপূর্বে আমরা কৃৎ প্রত্যয় সম্পর্কে আলোচনা করেছি।  বর্তমান আলোচনায় ধাত্ববয়ব প্রত্যয়ের আলোচনা করবো। ধাত্ববয়ব প্রত্যয় কাকে বলে? যে প্রত্যয়গুলি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন ধাতু গঠন করে, তাদের ধাত্ববয়ব প্রত্যয় বলে।  ধাত্ববয়ব প্রত্যয় যোগে গঠিত নতুন ধাতুগুলি অবশ্যই সাধিত ধাতু হবে। মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু কোনো প্রত্যয় যোগেই তৈরি হয় না।   ধাত্ববয়ব প্রত্যয়ের নাম ধাত্ববয়ব কেন? 'ধাত্ববয়ব' শব্দটিকে ভাঙলে পাই - ধাতু+অবয়ব। অবয়ব কথার অর্থ হল দেহ। এই প্রত্যয়টি

কি ও কী-এর পার্থক্য | কি ও কী এর ব্যবহার | কী এবং কি এর মধ্যে পার্থক্য

 কী এবং কি-এর পার্থক্য কোথায়? 'কি' নাকি 'কী'? বানান লিখতে গিয়ে এই জায়গায় এসে অনেক সময়‌ই হোঁচট খেতে হয়। কোথায় 'কী' লিখবো আর কোথায় 'কি' লিখবো, আসুন,  জেনে নিই সহজ ভাষায়। প্রথমেই যে কথাটি বলে দেওয়া দরকার, তা হল 'কী' ও 'কি' দুটি সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ এবং একটির জায়গায় অন্যটি ব্যবহার করা মারাত্মক ভুল। এই দুটি শব্দের পার্থক্য বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হল, এই দুটিই প্রশ্নবাচক শব্দ এবং সমস্ত প্রশ্নের‌ই একটি উত্তর থাকে। ওই উত্তরই বলে দেবে কোন বানানটি ঠিক। প্রশ্নের উত্তর যদি 'হ্যাঁ' বা 'না' হয়, তাহলে 'কি' হবে। যেমন: তুমি কি পড়ছো? উঃ- হ্যাঁ/না প্রশ্নের উত্তর যদি অন্য কিছু হয়, অর্থাৎ অন্য কোনো শব্দের দ্বারা দিতে হয়, তাহলে 'কী' বানান হবে।  যেমন: তুমি কী পড়ছো? উঃ- বাংলা ব্যাকরণ। এইটুকু শিখলেই মোটামুটি ভাবে কাজ চলে যাবে, কিন্তু বিষয়টি আর একটু বিশদে জেনে নেওয়া দরকার আছে।  'কি' ও 'কী'-এর পদ-পরিচয় কি 'কি' পদটি একটি অব্যয় পদ । এটি একটি প্রশ্নবাচক অব্যয়। এটি অনেক সময় সংশয়

কৃৎ প্রত্যয়ের বিস্তারিত আলোচনা | প্রকৃতি প্রত্যয়

প্রত্যয়ের নিয়ম ও উদাহরণ প্রত্যয় অধ্যায়টি বাংলা ব্যাকরণের পড়ুয়াদের কাছে চিরকাল‌ই মাথাব্যথার কারণ। এর মূল কারণ সংস্কৃত প্রত্যয়। সংস্কৃত প্রত্যয়ের নিয়ম অনেক। সমস্ত নিয়মকে একত্রিত করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। তবু এই পোস্টে মূলত সংস্কৃত প্রত্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলি ব্যাখ্যা সহ আলোচনা করার চেষ্টা করা হল। আমাকে YouTube-এ সাবস্ক্রাইব করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। প্রত্যয় শব্দের ব্যুৎপত্তি ও অর্থ প্রত‍্যয় শব্দটির ব‍্যুৎপত্তি হল - প্রতি - √ই + অ (অচ্) এবং আভিধানিক অর্থ হল - বিশ্বাস --- "প্রত‍্যয়ং জনয়ামাস তদান‍্যোন‍্যন‍্য।" প্রত‍্যয়ের ব‍্যুৎপত্তিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে √ই ধাতুর অর্থ যাওয়া এবং প্রতি উপসর্গের অর্থ দিকে। অর্থাৎ প্রত‍্যয় শব্দটির অর্থ - দিকে গমন > শব্দ গঠনের দিকে গমন > শব্দ গঠনের পদ্ধতি। প্রত্যয়ের ভূমিকা ১. নতুন নতুন শব্দ গঠন করে শব্দ ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে তোলে।  যেমন - √দা একটি ধাতু। যদি এই ধাতুর পর ভিন্ন ভিন্ন প্রত‍্যয় ব‍্যবহার করি তাহলে আমরা ভিন্ন ভিন্ন শব্দ পাবো। √দা + ণক = দায়ক √দা + তব‍্য = দাতব‍্য √দা + অনীয় = দানীয় আবার শব্দের পরে প্রত‍্যয় য